“সত্যি বলতে, আমি ভাষাহীন। আমি হাসতে পারছি না, আবার খুশিতে কাঁদতেও পারছি না। এটা আমার জন্য একটি বিশাল ব্যাপার। কলকাতার এক অন্ধকার গলি থেকে আমি উঠে এসেছি এবং ফুটপাত থেকে লড়াই করে আজ এখানে পৌঁছেছি। আজ সেই ছেলেটা এত বড় সম্মান পাচ্ছে, যা আমি কখনও কল্পনাও করতে পারিনি। আমি বাকরুদ্ধ। আমি এই পুরস্কারটি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা আমার সকল ভক্ত ও পরিবারের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করছি”—দাদাসাহেব পুরস্কার পাওয়ার খবরে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী আবেগঘন কণ্ঠে এ কথাগুলো বলেছেন।
আজ সকালে ভারতের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিঠুন চক্রবর্তীর দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পাওয়ার খবরটি সবার সঙ্গে শেয়ার করেছেন। ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে মিঠুনের অসাধারণ অবদানের জন্য তাঁকে এই বিশেষ সম্মান দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পাওয়ার খবর শুনে ভক্তরা এবং সিনেমা জগতের সকলেই আনন্দিত। কিংবদন্তি এই অভিনেতাকে সবাই শুভকামনা জানিয়েছেন।
এদিকে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করে মিঠুনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ভারতীয় সিনেমার জগতে অসাধারণ অবদানের জন্য মিঠুন চক্রবর্তীকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত আনন্দের। তিনি একজন সাংস্কৃতিক আইকন এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁর বহুমুখী অভিনয় ক্ষমতার প্রশংসা করা হয়েছে। আমি তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।’
আজ সকালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন, ‘মিঠুনের অসাধারণ সিনেম্যাটিক যাত্রা প্রতিটি প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে।’ ৮ অক্টোবর ৭০তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের অনুষ্ঠানে মিঠুন চক্রবর্তীর হাতে দাদাসাহেব পুরস্কারটি তুলে দেওয়া হবে। মিঠুন চক্রবর্তীর ক্যারিয়ারে ৩৫০টির বেশি সিনেমা রয়েছে। তিনি হিন্দি, বাংলা, তামিল, তেলেগু, পাঞ্জাবি, কন্নড়, ওড়িয়া এবং ভোজপুরী চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন।
পশ্চিমবঙ্গে জনসভায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। কলকাতা বিগ্রেড প্যারেড গ্রাউন্ডে।

Post a Comment